April 7, 2026, 11:02 pm

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

খুনিদের বিচার চেয়ে কাফনের কাপড় নিয়ে চবিতে অনশনে দিয়াজের মা

খুনিদের বিচার চেয়ে কাফনের কাপড় নিয়ে চবিতে অনশনে দিয়াজের মা

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন তার মা। গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। পরে সেখান থেকে স্বজনরা তাকে নিয়ে যান। এরপর বেলা ১১টার দিকে শহীদ মিনার চত্বরে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন তিনি। এসময় জাহেদা আমিন চৌধুরীকে একটি কাফনের কাপড় শরীরে জড়িয়ে রাখতে দেখা যায়। হাতে থাকা অন্য একটি কাফনের কাপড়ে হত্যা মামলার আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়। এতে লেখা রয়েছে- ‘দিয়াজ হত্যাকারী খুনি আনোয়ার, জামশেদ, আলমগীর টিপুসহ সকল হত্যাকারীর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে অপসারণ চাই’। এ বিষয়ে দিয়াজের বোন আইনজীবী জুবাঈদা ছারওয়ার চৌধুরী নিপা বলেন, আমার ভাই খুনের পর এক বছর পেরিয়ে গেল। একজন খুনিও গ্রেফতার হয়নি। আসামিরা আমার মায়ের সামনে দিয়ে ক্যাম্পাসে সদর্পে ঘোরাফেরা করছে। আসামি আলমগীর টিপু ক্যাম্পাসে আমার মায়ের সামনে দিয়ে মিছিল করেছে। সব দেখেশুনে উনি অস্থির হয়ে পড়েছেন। জাহেদা আমিন চৌধুরীর আত্মীয় রেজাউল করিম বলেন, সকালে তিনি (জাহেদা আমিন চৌধুরী) প্রশাসনিক ভবনের সামনে খুনিদের গ্রেপ্তাদের দাবিতে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখানে ঘণ্টাখানেক থাকার পর আমরা বুঝিয়ে নিয়ে আসি। এরপর আবার বেলা ১১টার দিকে তিনি শহীদ মিনারে গিয়ে অবস্থান নেন। উনি বলছেন খুনিরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে উঠবেন না, কিছু খাবেনও না। মায়ের অবস্থান ও অনশনের খবর পেয়ে নগরী থেকে ক্যাম্পাসের দিকে রওনা হয়েছেন বলে জানান জুবাঈদা ছারওয়ার চৌধুরী নিপা। গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নিজের বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর ঝুলন্ত লাশ। এ ঘটনায় দিয়াজের মা বাদী হয়ে গত বছরের ২৪ নভেম্বর আদালতে হত্যা মামলা করেন। ওই হত্যা মামলার আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সেসময়ের সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন, সেসময়ের বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু, ছাত্রলীগ নেতা আবুল মনসুর জামশেদ, রাশেদুল আলম জিশান, আবু তোরাব পরশ, মনসুর আলম, আবদুল মালেক, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক অপু ও মোহাম্মদ আরমান। আসামিরা সবাই চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন অনুসারী হিসেবে পরিচিত। খুন হওয়া দিয়াজও ছিলেন নাছিরের অনুসারী। প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ উল্লেখ করা হলেও আদালতের নির্দেশে হওয়া দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দিয়াজকে ‘হত্যা’ করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর গত ৭ অগাস্ট সব আসামিকে গ্রেফতারে আদালত নির্দেশ দিলেও এ মামলার কোনো আসামিই গ্রেফতার হয়নি এখনো।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর